Skip to main content

Bangladesh Jute Research Institute: Career Opportunity,Exam Syllabus & Marks Distribution



 প্রতিষ্ঠান পরিচিতিঃ বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশে পাট ও পাট জাতীয় ফসলের একমাত্র গবেষণা প্রতিষ্ঠান।স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালে প্রণীত নীতিমালার মাধ্যমে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই) প্রতিষ্ঠিত হয়।

বর্তমানে বিজেআরআই এর কৃষি উইং এর অধীনে ৬টি, কারিগরী উইং এর অধীনে ৫টি, জেটিপিডিসি উইং এর অধীনে ১টি নিয়ে মোট ১২টি বিভাগ রয়েছে। কারিগরী উইং এর বিভাগ গুলোর মধ্যে রসায়ন অন্যতম।বহুমুখী পাটপণ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে ল্যাবরেটরী স্কেলে পাটের বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে পাট আঁশের উৎকর্ষ সাধন করা-ই রসায়ন বিভাগের মূল উদ্দেশ্য।এ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে রসায়ন বিভাগকে আরো চারটি ডিপার্টমেন্টে ভাগ করা হয়েছে।এগুলো হলোঃ ১) ফাইবার কেমিষ্ট্রি ডিপার্টমেন্টঃ সাধারণত পাট আঁশের এনালাইসিস সহ বিভিন্ন রাসায়নিক ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে পাট আঁশের মানোন্নয়ন করা হয়। ২) ইন্ডাস্ট্রিয়াল কেমিষ্ট্রি ডিপার্টমেন্টঃ সাধারনত পাট ও পাটজাত ফেব্রিককে রাসায়নিক ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে অগ্নিরোধী, পচনরোধী,পানিরোধী বিভিন্ন গ্রেডে উন্নীত করা হয় এবং পাট ও পাট কাঠি থেকে শিল্পে ব্যবহার উপযোগী বিভিন্ন মূল্যবান ম্যাটেরিয়েল তৈরি করা হয়। ৩) ডাইং ডিপার্টমেন্টঃ মূল্য সংযোজিত আকর্ষনীয় পাটজাত দ্রব্য উৎপাদনের লক্ষ্যে পাট আঁশ, পাট সুতা এবং পাট ফেব্রিককে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম রং এর সাহায্যে রং করার পদ্ধতি উদ্ভাবন করা হয়। ৪) প্রিন্টিং ডিপার্টমেন্টঃ পাটজাত পন্য যেমন- পর্দার কাপড়, শপিং ব্যাগ, জায়নামাজ ইত্যাদির উপর স্ক্রিন এবং ব্লক প্রিন্টিং এর সাহায্যে আকর্ষনীয় করে উচ্চ মূল্য সংযোজিত আধুনিক পণ্য উৎপাদন করা হয়। ✅ শাখা অনুযায়ী জনবলঃ ফাইবার কেমিষ্ট্রি শাখাঃ ● প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা - ১জন ● ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা - ০১ জন ● বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা - ০১ জন ইন্ডাস্ট্রিয়াল কেমিষ্ট্রি শাখাঃ ● প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা - ০১ জন ● ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা - ০২ জন ● বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা - ০২ জন ● এল এ - ০১ জন ডাইং শাখাঃ ● প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা - ০১ জন ● ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা - ০১ জন ● বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা - ০১ জন ● এল এ - ০১ জন প্রিন্টিং শাখাঃ ● প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা - ০১ জন ● ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা - ০১ জন ● বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা - ০১ জন ● এল এ - ০১ জন রসায়ন থেকে আবেদনযোগ্য পদ সমূহের বিস্তারিত নিচে তুলে ধরা হলোঃ ● পদের নামঃ ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা(নন ট্রেডিশনাল নিউ প্রডাক্টস ডিজাইন এন্ড ম্যানুফ্যাকচারিং সেকশন) ● বয়সসীমাঃ অনূর্ধ্ব ৩৫ বছর ● নিয়োগ যোগ্যতাঃ পদোন্নতির জন্য যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হয়। ● সরাসরি নিয়োগ যোগ্যতাঃ রসায়ন/ফলিত রসায়নে কমপক্ষে ২য় শ্রেণীর স্নাতক(সম্মান) সহ দ্বিতীয় শ্রেণীর স্নাতকোত্তর ডিগ্রী প্রাপ্ত হতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে প্রথম শ্রেণীর পদে কমপক্ষে ৫ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ● পদোন্নতির যোগ্যতাঃ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পদে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৫ বছরের চাকরি এবং স্বীকৃত দেশী বা বিদেশী বৈজ্ঞানিক জার্নালে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কমপক্ষে ৩ টি পূর্ণমান গবেষণা প্রকাশনা থাকতে হবে। ★ ● পদের নামঃ ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা(কেমিক্যাল প্রসেসিং সেকশন) ● বয়সসীমাঃ অনূর্ধ্ব ৩৫ বছর ● নিয়োগ যোগ্যতাঃ পদোন্নতির জন্য যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হয়। ● সরাসরি নিয়োগ যোগ্যতাঃ রসায়ন/ফলিত রসায়নে কমপক্ষে ২য় শ্রেণীর স্নাতক(সম্মান) সহ দ্বিতীয় শ্রেণীর স্নাতকোত্তর ডিগ্রী প্রাপ্ত হতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে প্রথম শ্রেণীর পদে কমপক্ষে ৫ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ● পদোন্নতির যোগ্যতাঃ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পদে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৫ বছরের চাকরি এবং স্বীকৃত দেশী বা বিদেশী বৈজ্ঞানিক জার্নালে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কমপক্ষে ৩ টি পূর্ণমান গবেষণা প্রকাশনা থাকতে হবে। ★ ● পদের নামঃ প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা(নিউ টেক্সটাইল প্রোডাক্ট ডিপার্টমেন্ট) ● বয়সসীমাঃ অনূর্ধ্ব ৩৯ বছর। ● নিয়োগ যোগ্যতাঃ পদোন্নতির জন্য যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হয়। ● সরাসরি নিয়োগ যোগ্যতাঃ রসায়ন/ফলিত রসায়নে কমপক্ষে ২য় শ্রেণীর স্নাতক(সম্মান) সহ দ্বিতীয় শ্রেণীর স্নাতকোত্তর ডিগ্রী প্রাপ্ত হতে হবে এবং কমপক্ষে ১২ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ● পদোন্নতির যোগ্যতাঃ ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পদে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৫ বছরের চাকরি এবং স্বীকৃত দেশী বা বিদেশী বৈজ্ঞানিক জার্নালে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কমপক্ষে ৬ টি পূর্ণমান গবেষণা প্রকাশনা থাকতে হবে। ★ ● পদের নামঃ প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা(প্রোডাক্ট ডিজাইন এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট) ● বয়সসীমাঃ অনূর্ধ্ব ৩৯ বছর ● নিয়োগ যোগ্যতাঃ পদোন্নতির জন্য যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হয়। ● সরাসরি নিয়োগ যোগ্যতাঃ রসায়ন/ফলিত রসায়নে কমপক্ষে ২য় শ্রেণীর স্নাতক(সম্মান) সহ দ্বিতীয় শ্রেণীর স্নাতকোত্তর ডিগ্রী প্রাপ্ত হতে হবে এবং কমপক্ষে ১২ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ● পদোন্নতির যোগ্যতাঃ ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পদে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৫ বছরের চাকরি এবং স্বীকৃত দেশী বা বিদেশী বৈজ্ঞানিক জার্নালে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কমপক্ষে ৬ টি পূর্ণমান গবেষণা প্রকাশনা থাকতে হবে। ★ ● পদের নামঃ মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা(ডেভেলপমেন্ট ডিভিশন) ● বয়সসীমাঃ অনূর্ধ্ব ৪২ বছর ● নিয়োগ যোগ্যতাঃ পদোন্নতির জন্য যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হয়। ● সরাসরি নিয়োগ যোগ্যতাঃ রসায়ন/ফলিত রসায়নে কমপক্ষে ২য় শ্রেণীর স্নাতক (সম্মান)সহ দ্বিতীয় শ্রেণীর স্নাতকোত্তর ডিগ্রী প্রাপ্ত হতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১৫ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ● পদোন্নতির যোগ্যতাঃ প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পদে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৫ বছরের চাকরি এবং স্বীকৃত দেশী বা বিদেশী বৈজ্ঞানিক জার্নালে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কমপক্ষে ১০ টি পূর্ণমান গবেষণা প্রকাশনা থাকতে হবে। ★ ● পদের নামঃ পরিচালক(জুট টেক্সটাইল) ● বয়সসীমাঃ অনূর্ধ্ব ৪৪ বছর। ● নিয়োগ যোগ্যতাঃ পদোন্নতির জন্য যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হয়। ● সরাসরি নিয়োগ যোগ্যতাঃ রসায়ন/ফলিত রসায়নে কমপক্ষে ২য় শ্রেণীর স্নাতক (সম্মান) সহ ২য় শ্রেণীর স্নাতকোত্তর ডিগ্রী প্রাপ্ত হতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কমপক্ষে ২০ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ● পদোন্নতির যোগ্যতাঃ মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পদে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৫ বছরের চাকরি এবং আন্তর্জাতিক জার্নালে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কমপক্ষে ৫ টি পূর্ণমানের গবেষণা প্রকাশনাসহ ১৫ টি পূর্ণ মৌলিক গবেষণা থাকতে হবে। ✅ পরীক্ষা পদ্ধতিঃ এমসিকিউ + লিখিত + মৌখিক গত বছরের প্রশ্নপত্র অনুসারে পরীক্ষার বিষয়াবলি ও মানবন্টনঃ
বাংলা - ২০ নম্বর। ইংরেজি - ২০নম্বর। সাধারণ গণিত - ২০ নম্বর। সাধারন জ্ঞান - ২০ নম্বর। রসায়ন (নিজস্ব বিষয়)- ২০ নম্বর।
তবে বাংলাদেশ পাট গবেষণা কেন্দ্রের পরীক্ষা কমিটি নিজেদের ইচ্ছা মোতাবেক পরীক্ষার বিষয়াবলীর নম্বর বন্টন পরিবর্তন করতে পারেন। এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষার জন্য সু্যোগ দেয়া হয়। ইসরাতুন নাহার লিজা রসায়ন বিভাগ, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

Comments

Popular posts from this blog

Allotropes Of Carbon

Carbon, one of the most well known elements in chemistry as well as our lives.People who don’t belong to chemistry or chemical science,also have heard the name ‘Carbon’ as we can find this element from photosynthesis to greenhouse gas.Seems cool, yeah? However,carbon can be called multitasker  as it shows multiforms.Then let’s get to the obvious meaning about its multiforms i.e 'Allotropes'.Well,allotrope refers to one or more physical forms of a chemical element which is different in terms of arrangement of atoms. Different forms of the same element are called allotrope along with differences in chemical and physical properties. Carbon has many allotropes because of its valency. Mainly there are 3 allotropes in pure carbon.They are: Diamond, graphite, fullerene(which includes nanotubes and "buckyballs").Also in amorphous form carbon's allotropes are:coal,coke,wood charcoal,animal charcoal,lamp black,gas carbon,petroleum coke,sugar charcoal. Are you a jewellery fr...

বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ

 দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পাশাপাশি রসায়নবিদদের ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রেও অপার সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রাধীন শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ।এসব প্রতিষ্ঠানসমূহে চাকরি সম্ভাব্য পদ আর পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে থাকছে আজকের পর্ব। প্রতিষ্ঠান পরিচিতিঃ বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন বাংলাদেশের সরকারি মালিকানাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।১৯৭৬ সালের পহেলা জুলাই বাংলাদেশ স্টীল মিলস এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল ও জাহাজ নির্মাণ কর্পোরেশন কে একীভূত করে প্রতিষ্ঠান টি গঠন করা হয়।বর্তমানে এই করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় ৯ টি শিল্প প্রতিষ্ঠান চলমান রয়েছে। আওতাধীন প্রতিষ্ঠানসমূহঃ ১.এটলাস বাংলাদেশ লিমিটেড ২.বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরী লিমিটেড  ৩.ইস্টার্ন টিউবস লিমিটেড  ৪.ইস্টার্ন কেবলস লিমিটেড  ৫.গাজী ওয়্যারস লিমিটেড  ৬.জেনারেল ইলেক্ট্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড  ৭.ন্যাশনাল টিউবস লিমিটেড  ৮.প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৯.ঢাকা স্টীল ওয়ার্কস লিমিটেড বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল   কর্পোরেশনে সাধারণত ৫ টি পদে রসায়ন থে...

What happens, if you drink a glass of Heavy water ? 🧐🧐

  A refreshing glass of cold water.   If you think I'm talking about H2O , then you're right. But our thinking is if we could be sipping on heavy water or Deuterium Oxide (D2O)   then what happened? First of all, it's super expensive, and we have to buy it from the lab. Deuterium is a form of hydrogen or isotope, with an extra neutron, which makes it twice as heavy as regular hydrogen. That's why when there's Deuterium in water molecules.   it's about 10% heavier and we call it " Heavy Water ". In small amounts, heavy water is fine. In fact, in combination with an oxygen isotope, it's used in lots of nutrition experiments in humans because it's a useful way to track how much energy we're spending. But, too much will almost kill us. If we push Deuterium oxide in rats,   they will die.   In fact, plants will stop growing. The toxicity is related to what's called the KINETIC ISOTOPE effect. In the incident of heavy water...